সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
Sports মিনিট পড়া
|১০০%|

বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে নেপালি খেলোয়াড়দের আধিপত্য

বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে নেপালি খেলোয়াড়দের আধিপত্য
বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে নেপালি খেলোয়াড়দের আধিপত্য — বাংলা ধ্বনি

বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের নতুন মৌসুম শুরু হওয়ার আগে ক্লাবগুলোতে বিদেশি খেলোয়াড় নিবন্ধনের চিত্র বদলেছে। সদ্য সমাপ্ত খেলোয়াড় নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষে দেখা গেছে, ক্লাবগুলো দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন বা সাফ অঞ্চলের খেলোয়াড়দের প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে। এই অঞ্চলের খেলোয়াড়দের মধ্যে নেপালের ফুটবলারদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এবারের মৌসুমে বিদেশি এবং সাফ কোটা মিলিয়ে মোট ৬৫ জন ভিনদেশি ফুটবলার নিবন্ধিত হয়েছেন।

এর মধ্যে সাফ কোটায় নিবন্ধিত ১৯ জনের মধ্যে ১৪ জনই নেপালের নাগরিক। গত মৌসুম থেকে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে সার্কভুক্ত দেশের ফুটবলারদের ‘স্থানীয় খেলোয়াড়’ হিসেবে গণ্য করার নিয়ম চালু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ক্লাব সাফ কোটায় সর্বোচ্চ তিনজন খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে পারে। গত মৌসুমে এই কোটা পাঁচজন থাকলেও স্থানীয় খেলোয়াড়দের দাবির প্রেক্ষিতে তা কমিয়ে তিনজন করা হয়েছে।

কোটা কমানো সত্ত্বেও গতবারের তুলনায় এবার এই অঞ্চলের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ বেড়েছে। গত মৌসুমে লিগের প্রথম পর্বের জন্য সাফ কোটায় ১১ জন খেলোয়াড় নিবন্ধিত হয়েছিলেন, যার মধ্যে আটজন ছিলেন নেপালের। সেই তুলনায় এবার এই সংখ্যা সাতজন বেড়েছে। বিদেশি কোটায় অবশ্য গতবারের মতো এবারও প্রতিটি দল সর্বোচ্চ চারজন করে খেলোয়াড় নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

গত মৌসুমে সাফ কোটার বাইরে বিদেশি কোটায় ৩৭ জন খেলোয়াড় নিবন্ধন করেছিলেন। এবারের ঘরোয়া লিগে ক্লাবের সংখ্যা গতবারের ১০টি থেকে বেড়ে ১৩টিতে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নয়টি ক্লাব সাফ কোটায় খেলোয়াড় নিয়েছে। লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস গত মৌসুমে সাফ কোটায় কোনো খেলোয়াড় না নিলেও এবার তিনজন নেপালি ফুটবলারকে দলে নিয়েছে।

তাদের মধ্যে রয়েছেন নেপাল জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড অঞ্জন বিস্তা, মানিশ দাঙ্গি এবং ডিফেন্ডার রহিত চাঁদ। বসুন্ধরা কিংস তাদের পুরনো ব্রাজিলিয়ান তারকা রবসন রবিনহোকে দলে ফিরিয়ে এনেছে। এছাড়া নতুন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুস দা সিলভা এবং নাইজেরিয়ার ফরোয়ার্ড ওবুগহ এমেকাকে দলে যুক্ত করেছে। স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, রাকিব হোসেন, মোহাম্মদ হৃদয়, তাজ উদ্দিন, সোহেল রানা, নাবিব নেওয়াজ এবং মেহেদী হাসানরা দলে রয়েছেন।

মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব অবশ্য সাফ কোটায় কোনো খেলোয়াড় নেয়নি। তারা বিদেশি কোটায় মালির স্ট্রাইকার সুলেমান দিয়াবাতে এবং নাইজেরিয়ার দুজন খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে। এছাড়া উজবেকিস্তানের মোজাফফরভকে তারা রেখে দিয়েছে। ফর্টিস এফসি, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স, রহমতগঞ্জ এবং চট্টগ্রাম সিটি ক্লাব সাফ কোটায় দুজন করে নেপালি খেলোয়াড় নিয়েছে। ব্রাদার্স ইউনিয়ন, সিটি ক্লাব এবং পিডব্লিউডি একজন করে খেলোয়াড় নিয়েছে।

পাকিস্তানের চারজন খেলোয়াড়ের মধ্যে দুজন ব্রাদার্স ইউনিয়নে এবং ঢাকা আবাহনী ও সিটি ক্লাবে একজন করে খেলবেন। শ্রীলঙ্কার জাতীয় দলের গোলরক্ষক সুজন পেরেইরা এবারও ফর্টিস এফসিতে খেলবেন। ফর্টিস এফসিতে নেপাল জাতীয় দলের মিডফিল্ডার আরিক বিস্তা এবং ডিফেন্ডার অনন্ত তামাং যোগ দিয়েছেন। ঢাকা আবাহনী দলবদলের শেষ মুহূর্তে সাফ কোটায় পাকিস্তানের মিডফিল্ডার মইন আহমেদকে নিশ্চিত করেছে।

বিদেশি কোটায় তারা নাইজেরিয়ার চারজন খেলোয়াড় নিয়েছে, যার মধ্যে ২০১৪ বিশ্বকাপে খেলা মাইকেল বাবাতুন্দে অন্যতম। ব্রাদার্স ইউনিয়ন সাফ কোটায় পাকিস্তানের মিডফিল্ডার মাহমুদ আলী ওজায়ের, ফরোয়ার্ড সাইদ আলী রাজা এবং নেপালের ফরোয়ার্ড সাকাল রেগমিকে দলে নিয়েছে। ঢাকা ওয়ান্ডারার্স নেপালের দুই গোলরক্ষক সৌরভ বিক্রম কারকি এবং মিডফিল্ডার যুবরাজ ডাকালকে নিয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি ফুটবল ক্লাব নেপালের মিডফিল্ডার আশীষ সোনম এবং ডিফেন্ডার দিবাকর চৌধুরীকে দলে নিয়েছে। সিটি ক্লাব পাকিস্তানের ফরোয়ার্ড শায়ক দোস্ত এবং নেপালের ডিফেন্ডার যোগেশ গুড়ংকে নিয়েছে। রহমতগঞ্জ নেপাল জাতীয় দলের ডিফেন্ডার অভিষেক লিম্বু এবং মিডফিল্ডার কুশাল দেউবাকে দলে নিয়েছে। জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার জাহিদ হাসান এমিলির মতে, নেপালি খেলোয়াড়দের তুলনামূলক কম খরচে পাওয়া যায় এবং তারা নিজেদের দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বেশি পারিশ্রমিক পান, যা উভয় পক্ষের জন্যই সুবিধাজনক।

এছাড়া কিছু ক্লাব অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, আয়ারল্যান্ড এবং জার্মানির খেলোয়াড়দেরও দলে নিয়েছে, যা দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হবে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
শারমীন সুলতানা তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: শারমীন সুলতানা© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫