সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
Sports মিনিট পড়া
|১০০%|

বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফিল্ডিংয়ে উন্নতির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন আশিকুজ্জামান

বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফিল্ডিংয়ে উন্নতির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন আশিকুজ্জামান
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফিল্ডিংয়ে উন্নতির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন আশিকুজ্জামান — বাংলা ধ্বনি

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আশিকুজ্জামান মজুমদার। গত মে মাসে জাতীয় দলের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি ক্রিকেটারদের ক্যাচিং, গ্রাউন্ড ফিল্ডিং এবং থ্রোয়িংয়ের মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ ১৫ বছরের কোচিং ক্যারিয়ারে ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার পর এখন তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছেন।

আশিকুজ্জামানের মতে, ফিল্ডিংয়ের প্রতিটি বিভাগই সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করলে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব। তিনি বিশেষ করে ক্যাচিংয়ের ওপর জোর দিয়েছেন, কারণ স্লিপ, হাই ক্যাচ এবং ক্লোজ ক্যাচিংয়ের ক্ষেত্রে নিখুঁত হওয়া ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে বাতাসের প্রতিকূলতা সামলে হাই ক্যাচ ধরার অনুশীলনে তিনি বাড়তি মনোযোগ দিয়েছেন।

ডিরেক্ট থ্রো বা সরাসরি স্টাম্পে বল ছুড়ে রানআউট করার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ দলের সাম্প্রতিক সাফল্য চোখে পড়ার মতো। আশিকুজ্জামান জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর ডিরেক্ট থ্রোর জন্য বিশেষ কিছু ড্রিল বা অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছেন। এই অনুশীলনে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয় যেখানে খেলোয়াড়দের লক্ষ্যভেদে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

তিনি মনে করেন, ডিরেক্ট থ্রোতে সাফল্য পাওয়ার পেছনে খেলোয়াড়দের মানসিক প্রস্তুতি এবং নিয়মিত অনুশীলনের সমন্বয় কাজ করেছে। কোনো খেলোয়াড় ম্যাচে ক্যাচ মিস করলে বা নেতিবাচক পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে তাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে সতীর্থরা এবং কোচিং স্টাফরা সবসময় সহায়তা করেন। আধুনিক ক্রিকেটে প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

আশিকুজ্জামান ফিল্ডিং অনুশীলনে ডাটা অ্যানালাইসিস বা তথ্য বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্ব দেন। প্রতিদিনের অনুশীলনে ক্যাচ মিস, গ্রাউন্ড ফিল্ডিংয়ের মান এবং জিপিএস ডাটা ব্যবহার করে খেলোয়াড়দের রানের গতি ও ফিল্ডিংয়ের দক্ষতা পরিমাপ করা হয়। এই তথ্যগুলো পরবর্তী ম্যাচের কৌশল নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ড্রেসিংরুমে সেরা ফিল্ডারকে পুরস্কৃত করার প্রথা চালু করেছেন তিনি।

এই উদ্যোগটি খেলোয়াড়দের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ তৈরি করেছে এবং ফিল্ডিংয়ের প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। টিম ম্যানেজমেন্টের পরামর্শে এই পুরস্কার ব্যবস্থা চালু করা হয়, যা দলের সামগ্রিক পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। আশিকুজ্জামান জানান, জাতীয় দলের কোচিং প্যানেল, ফিজিও এবং ট্রেনারদের সাথে তার সমন্বয় অত্যন্ত চমৎকার। একটি দলের সাফল্যের পেছনে খেলোয়াড়দের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সাপোর্ট সিস্টেম থাকা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

বয়সভিত্তিক ক্রিকেট এবং জাতীয় দলের ফিল্ডিং সেশনের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সময়ের সীমাবদ্ধতা। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে শেখার জন্য অনেক সময় পাওয়া যায়, কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলোয়াড়দের দ্রুত পারফর্ম করতে হয়। তিনি ২০১০ সালে ওল্ড ডিওএইচএস ক্রিকেট একাডেমিতে সহকারী কোচ হিসেবে তার যাত্রা শুরু করেন। তার কোচিং ক্যারিয়ারের পেছনে সোহেল ইসলাম, সালাউদ্দিন এবং ফাহিমসহ অনেক অভিজ্ঞ কোচের অবদান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

একজন ফিল্ডিং কোচের কাজ কেবল কৌশল শেখানো নয়, বরং খেলোয়াড়দের ফিল্ডিংয়ের প্রয়োজনীয়তা এবং দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সচেতন করা। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশ দল ফিল্ডিংয়ের দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা দলে পরিণত হওয়ার সক্ষমতা রাখে। নিয়মিত হাই-ইনটেনসিটি ম্যাচ খেলা এবং ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বমঞ্চে আরও ভালো অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ঐতিহাসিক জয়ের পর ড্রেসিংরুমের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত আনন্দঘন। খেলোয়াড়রা জয়ের পর শুকরানা নামাজ আদায় করেছেন। দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর অনুপ্রেরণামূলক নেতৃত্ব এবং খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এই সাফল্য এসেছে বলে তিনি জানান। ফিল্ডিং কোচ হিসেবে আশিকুজ্জামান দলের প্রতিটি খেলোয়াড়কে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি মনে করেন, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
নুসরাত জাহান তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: নুসরাত জাহান© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫