সংযুক্ত আরব আমিরাতে জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচ খেলার প্রস্তুতি নিতে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর থেকে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ক্যাম্প শুরু করছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির একটি সূত্র এই তথ্যের নিশ্চিত করেছে।
গত মাসে অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর বাংলাদেশ দল গত ২৮ আগস্ট দেশে ফিরেছে। ওই সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে ড্র হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করে দেশে ফেরার পর ক্রিকেটাররা কিছুদিন বিশ্রাম কাটিয়েছেন। এখন সেই বিশ্রাম শেষে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং লিটন কুমার দাসের মতো ক্রিকেটাররা পুনরায় অনুশীলনে ফিরছেন।
আগামী ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষার মাধ্যমে এই ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু হবে। জাতীয় দলের রাডারে থাকা সকল ক্রিকেটার এই ক্যাম্পে অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ফিটনেস টেস্ট সম্পন্ন হওয়ার পর ক্রিকেটারদের জন্য স্কিল ক্যাম্প শুরু হবে। এরপর তারা ব্যাট এবং বলের নিয়মিত অনুশীলন শুরু করবেন।
ক্যাম্পের শুরুতে কোচিং প্যানেলের বিদেশি সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন কি না তা নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু আলোচনা ও গুঞ্জন প্রচলিত ছিল। তবে ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, পুরো কোচিং প্যানেলই এই ক্যাম্পে উপস্থিত থাকবেন এবং ক্রিকেটারদের তদারকি করবেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং একমাত্র টেস্ট ম্যাচের চূড়ান্ত সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। সূত্র অনুযায়ী, এই দুটি সিরিজেরই আয়োজক হলো আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তাই সিরিজের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশের দায়িত্ব তাদের ওপর ন্যস্ত রয়েছে এবং তারাই এই সূচি প্রকাশ করবেন।
বাংলাদেশ দল আগামী মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই সিরিজগুলো খেলবে। জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের সঙ্গে ত্রিদেশীয় লড়াই এবং এরপর আফগানদের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচ খেলার জন্য ক্রিকেটাররা এই ক্যাম্পের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করবেন। মিরপুরের এই ক্যাম্পটি ক্রিকেটারদের শারীরিক সক্ষমতা যাচাই এবং কৌশলগত উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিসিবের ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রস্তুতির পরিকল্পনা করা হয়েছে। ক্রিকেটারদের ফিটনেস এবং স্কিল উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে যাতে তারা আসন্ন আন্তর্জাতিক সিরিজের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে। পুরো কোচিং প্যানেলের উপস্থিতি ক্রিকেটারদের জন্য বাড়তি সহায়তা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
