সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

১৫ সেপ্টেম্বরের পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতির আশা প্রতিমন্ত্রীর

১৫ সেপ্টেম্বরের পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতির আশা প্রতিমন্ত্রীর
১৫ সেপ্টেম্বরের পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতির আশা প্রতিমন্ত্রীর — বাংলা ধ্বনি

আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের পর দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ যে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, সে বিষয়ে সরকার সমব্যথী এবং এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে।

তবে তিনি অত্যন্ত আশাবাদী যে, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ের পর পরিস্থিতির দৃশ্যমান অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, গত ২১ জুলাই ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর ১৫ আগস্ট সেটি মেরামত করা হয়।

কিন্তু এরপরও সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি, কারণ আমদানিকৃত কার্গোগুলোর সময়সূচি নতুন করে নির্ধারণ করতে হয়েছিল। বর্তমানে ৮৮ শতাংশ সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং বাকি ১২ শতাংশ ঘাটতি দ্রুত সময়ের মধ্যে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে। জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে তিনি জানান, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ রয়েছে। এছাড়া রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারছে না। বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়লাবাহী জাহাজ থেকে লাইটারেজ প্রক্রিয়ায় কয়লা খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে এই কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরে আসবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

এতে শিল্পখাত ও গৃহস্থালি গ্রাহকদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়া প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অতিবৃষ্টির কারণে তাদের কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। স্বাভাবিক সময়ে তারা গড়ে ১৫০০ থেকে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করলেও বর্তমানে দিনের বেলা ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যার পর ১১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং তারা প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহ করেছে। গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুটি এফএসআরইউর মাধ্যমে দৈনিক গড়ে ১০০০ থেকে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। বর্তমানে ৭০০ থেকে ৭৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত সরবরাহ করা হচ্ছে। টার্মিনালগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, যার ইতিবাচক প্রভাব বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে পড়বে।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, দীর্ঘমেয়াদী ও মধ্যমেয়াদী চুক্তিতে থাকা সরবরাহকারীরা ফোর্স মেজার বা অনিবার্য পরিস্থিতির ঘোষণা দেওয়ায় সরকার বাধ্য হয়ে স্পট মার্কেট থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি কিনছে। স্পট মার্কেটে দাম বেশি হলেও মানুষের কষ্ট লাঘব এবং শিল্পকারখানার উৎপাদন সচল রাখতে সরকার এই ঝুঁকি নিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সরকার অত্যন্ত সতর্ক। মানুষের কষ্ট বিবেচনায় নিয়ে সরকার যথাসম্ভব মূল্য সমন্বয় না করার নীতি অনুসরণ করছে। সংকট প্রলম্বিত না করার লক্ষ্যে সরকার সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান অস্থিরতা দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

সরকার এই সংকট নিরসনে প্রতিনিয়ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে কাজ করে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের এই সাময়িক সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
রেজাউল করিম তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: রেজাউল করিম© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫