সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার
শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার — বাংলা ধ্বনি

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে একটি সার্বজনীন নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সভাকক্ষে আয়োজিত প্রথম স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি জানান, উন্নত বিশ্বের আদলে বাংলাদেশেও শিক্ষকদের জন্য এই নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা স্বশিক্ষায় শিক্ষিত এবং তারা শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও সঠিক আচরণ শিক্ষা দিয়ে থাকেন। তাই তাদের আলাদা করে আচরণবিধি শেখানোর প্রয়োজন খুব একটা নেই। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ফেসবুকের অসচেতন ব্যবহারের ফলে যেন শিক্ষাব্যবস্থার কোনো ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।

এই সতর্কতার অংশ হিসেবেই একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষকদের এমন কোনো মন্তব্য বা উক্তি করা উচিত নয় যা সমাজে বিভেদ তৈরি করতে পারে কিংবা শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তিনি দাবি করেন, দেশের শিক্ষক সমাজ সরকারের এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করাই এই নীতিমালার মূল লক্ষ্য। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এবং বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা। এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে তা শিক্ষকদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আচরণগত মানদণ্ড নির্ধারণে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারের ফলে শিক্ষকরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকেন। এই সক্রিয়তা যেন পেশাগত মর্যাদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এবং শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, তা নিশ্চিত করাই এই নতুন উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এই নীতিমালা কোনোভাবেই শিক্ষকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনো বিধিনিষেধ নয়, বরং এটি একটি নির্দেশিকা যা তাদের অনলাইন কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল করবে।

উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে যেভাবে শিক্ষকদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নীতিমালা রয়েছে, বাংলাদেশও সেই একই ধারায় অগ্রসর হচ্ছে। এই নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়টিও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সভায় উপস্থিত নীতিনির্ধারকরা এই উদ্যোগের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং এটি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

শিক্ষকরা যেহেতু সমাজের আলোকবর্তিকা হিসেবে পরিচিত, তাই তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ ও মন্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সরব উপস্থিতি যেন শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক হয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখে, তা নিশ্চিত করতেই সরকার এই নীতিমালা তৈরির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। আগামীতে এই নীতিমালা চূড়ান্ত হলে তা দেশের সকল স্তরের শিক্ষকদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

শিক্ষামন্ত্রণালয় আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে শিক্ষাঙ্গনে ডিজিটাল সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা আরও সুদৃঢ় হবে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
তাসনিম আরা তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: তাসনিম আরা© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫