ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মোট ৫০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন জানিয়েছেন, গতকাল শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানের মাধ্যমে মোট ৫০ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের থানাভিত্তিক হিসাব প্রদান করে তিনি জানান, মতিঝিল থানা পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। পল্টন থানা পুলিশ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে। সবুজবাগ থানা পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। খিলগাঁও থানা পুলিশ ৬ জনকে জনকে গ্রেফতার করেছে। রামপুরা থানা পুলিশ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। শাহজাহানপুর থানা পুলিশ ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং মুগদা থানা পুলিশ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশের এই অভিযানটি নিয়মিত অপরাধ দমন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে। উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন আরও জানান যে, গ্রেফতারকৃত এই ৫০ জন ব্যক্তিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতের সামনে হাজির করা হয়েছে।
মতিঝিল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে পুলিশের এই নিয়মিত নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত রাখার কথা বলা হয়েছে। এই অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হয়েছে।
পুলিশের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করা। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে যে, এই অভিযানটি পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন থানায় বিভক্ত হয়ে পরিচালিত করা হয়েছে।
মতিঝিল বিভাগের অন্তর্গত সাতটি থানায় এই অভিযান চালানো হয়েছে। প্রতিটি থানা পুলিশ তাদের নিজ নিজ এলাকার অপরাধপ্রবণ স্থানগুলোতে নজরদারি বাড়িয়েছিল। এর ফলে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকা ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।
উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেনের দেওয়া তথ্যের বিস্তারিত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, পল্টন থানা পুলিশ সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, যেখানে ১০ জন গ্রেফতার হয়েছেন। অন্যদিকে মতিঝিল এবং সবুজবাগ থানা পুলিশ সবচেয়ে কম সংখ্যক ব্যক্তি অর্থাৎ ৫ জন করে গ্রেফতার করেছে।
এই অভিযানের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসন অপরাধীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে চেয়েছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তাদের অপরাধের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
