সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

বাগেরহাটে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩

বাগেরহাটে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩ — বাংলা ধ্বনি

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন কচুয়ার চান্দেরকোলা গ্রামের জাহিদুল ইসলাম, আসাদুল শেখ এবং আরিফ হাওলাদার। রোববার দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে নিহতদের ব্যবহৃত চারটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার, স্থানীয় সোর্স এবং গোয়েন্দা নজরদারি কাজে লাগায়। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে কচুয়ার চান্দেরখোলা গ্রাম থেকে প্রথমে আসাদুল শেখকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে আরিফ হাওলাদার বাবুকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে জাহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত তিনজনই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশ সুপার জানান, নিহত আহাদ হাওলাদারের পরিবারের একজন নারী সদস্যের সঙ্গে আসামি জাহিদুল ইসলামের দীর্ঘদিনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এই সম্পর্কের বিষয়টি উভয় পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে আহাদের মা মনিরা বেগমের সঙ্গে জাহিদুলের বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এই বিরোধের জেরে জাহিদুলের নিজের পরিবারেও অশান্তি চলছিল। এই ক্ষোভ থেকে জাহিদুল ইসলাম পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জাহিদুল ও তার দুই সহযোগী মিলে মনিরা বেগম (৫২), তার ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৫) এবং মনিরা বেগমের মা রাশিদা বেগমকে (৮৫) হত্যা করেন। উল্লেখ্য যে, গত ৪ আগস্ট দুপুরে কচুয়ার রাড়িপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরখোলা গ্রামের একটি বসতঘর থেকে এই তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২ আগস্ট বিকেল থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এই ঘটনার পর নিহত আহাদ হাওলাদারের বড় ভাই ফয়সাল হাওলাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানতে পেরেছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে থাকার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু গোয়েন্দা তৎপরতার কারণে তারা শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে। উদ্ধারকৃত মুঠোফোনগুলো মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে যে, পারিবারিক কলহ এবং পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের জের ধরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে। বর্তমানে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে এবং মামলার প্রয়োজনে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হতে পারে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল এবং পুলিশি তৎপরতায় রহস্য উদঘাটন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা বদ্ধপরিকর এবং ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
রেজাউল করিম তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: রেজাউল করিম© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫