সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

বিএনপির ইতিহাস মুছে ফেলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

বিএনপির ইতিহাস মুছে ফেলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
বিএনপির ইতিহাস মুছে ফেলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের — বাংলা ধ্বনি

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনৈতিক ইতিহাস কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব হবে না।

শনিবার বিকেল ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় তিনি এই কথাগুলো বলেন। সভায় তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত একটি আলোচনার কথা উল্লেখ করে বলেন যে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন এবং এই ঐতিহাসিক সত্যটি কোনো আইন-আদালত বা অন্য কোনো উপায়ে মুছে ফেলা যাবে না।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহ্বানে লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবন দিয়েছিলেন। তবে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ গণতন্ত্রের স্বাদ পায়নি এবং দেশে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তিনি দেশে পুনরায় বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন, যা কোনোভাবেই পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানসমূহ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র, টেকসই গণতন্ত্র এবং নারীশিক্ষার উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এছাড়া তিনি বিকাশমান অর্থনীতির উন্নয়ন এবং নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলের দাবির কথা উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক মুক্তির ক্ষেত্রে প্রতিটি সংকটকালীন সময়ে জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে এবং দেশকে বিভিন্ন সংকট থেকে উদ্ধার করেছে।

তারেক রহমান গত ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে বলেন, যে কোনো অত্যাচার-নির্যাতন উপেক্ষা করে বিএনপি এই আন্দোলন চালিয়ে গেছে। তিনি দাবি করেন যে, গত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্বৈরাচারের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছেন এবং দলটি রাজপথে বুক চিতিয়ে মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছে।

বিএনপি কোনো গোপন ভূমিকা গ্রহণ করেনি বরং রাজপথে সোচ্চার হয়ে মানুষের দাবি আদায়ে কাজ করেছে।

রুহুল কবির রিজভীরের সভাপতিত্বে এবং সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় আয়োজিত এই আলোচনা সভায় অর্থনীতিবিদ মাহবুবউল্লাহ, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমানউল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম এবং ইসমাইল জবিহউল্লাহ বক্তব্য দেন।

এছাড়া জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সভাপতি এম মোনায়েম মুন্না, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ স্বামী রাজীব আহসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান এবং ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন ও মোস্তফা জামান এবং ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান এবং এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
মো. কামরুজ্জামান তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: মো. কামরুজ্জামান© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫