সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

ফেনীতে পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩

ফেনীতে পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩
ফেনীতে পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩ — বাংলা ধ্বনি

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অর্থ দাবির অভিযোগে তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে উপজেলার মহামায়া ইউনিয়নের উত্তর যশপুর গ্রাম থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন ছাগলনাইয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশপাড়া গ্রামের মৃত রহিম উল্লাহর ছেলে ইমাম হোসেন (২৮), একই গ্রামের কবির আহাম্মদের ছেলে নাজমুল হক মুন্না (৩৮) এবং পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ যশপুর গ্রামের ফিরোজ আহমেদের ছেলে রাজীব হোসেন (৩৬)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে ওই তিন যুবক উত্তর যশপুর গ্রামে প্রবেশ করেন। তারা নিজেদের পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে পথচারী ও সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোন তল্লাশি করতে শুরু করেন। তাদের এই কর্মকাণ্ডে স্থানীয়দের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তাদের ঘিরে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন।

জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা তাদের মারধর করেন। খবর পেয়ে ছাগলনাইয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ছাগলনাইয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের মধ্যে ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে ছাগলনাইয়া থানায় পূর্বে দুটি মামলা রয়েছে। এছাড়া নাজমুল হক মুন্নার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে আটটি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের জানিয়েছেন, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি ও হয়রানি করে আসছিল। তারা সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করত। এই ঘটনার পর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি আবু তাহের। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে ছাগলনাইয়া ও এর আশেপাশের এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছিল। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই চক্রটি প্রায়ই বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে পথচারীদের থামিয়ে তাদের মোবাইল ফোন তল্লাশি করত এবং নানা অজুহাতে টাকা দাবি করত।

কেউ টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হতো। স্থানীয়দের সচেতনতার কারণেই শনিবার রাতে তাদের আটক করা সম্ভব হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের বিরুদ্ধে দায়ের করা নিয়মিত মামলার মাধ্যমে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। এই ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পুলিশ সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রতারক চক্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

কোনো ব্যক্তি পুলিশ পরিচয় দিলে তাদের পরিচয়পত্র যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। এছাড়া সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড দেখলে দ্রুত স্থানীয় থানা বা জাতীয় জরুরি সেবায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ছাগলনাইয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সাথে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আটককৃতদের থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে যাতে তাদের অপরাধের পরিধি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই এলাকায় আগে থেকেই এমন কিছু প্রতারক চক্রের তৎপরতা ছিল, যা সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই তিনজনকে আটকের ফলে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কিছুটা হলেও কমবে বলে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হবে এবং আইন অনুযায়ী তাদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
মিজানুর রহমান তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: মিজানুর রহমান© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫