রাজধানীর দারুস সালাম এলাকার একটি টিনশেড বাসায় ঘরে বসে টেলিভিশন দেখার সময় বাইরে থেকে আসা একটি গুলি লেগেছে জেসমিন বেগম নামে এক গৃহবধূর শরীরে। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ওই এলাকার মাতবরবাড়ি মসজিদ গলিতে এই ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, ওই নারী যখন ঘরের জানালা খোলা রেখে টেলিভিশন দেখছিলেন, তখন বাইরে থেকে আসা একটি গুলি তার শরীরে আঘাত করে।
ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাত ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। ওই নারীর ছেলে ইয়াসিন জানিয়েছেন যে, রাত সাড়ে আটটার দিকে তার মা ঘরের জানালা খোলা রেখে টেলিভিশন দেখছিলেন। এই সময়ে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা জানালা দিয়ে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
ইয়াসিন আরও জানান, তার মা গুরুতর আহত হওয়ার পর তাকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া নেওয়া হয়েছিল। তবে সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে দুর্বৃত্তরা ঠিক কী কারণে তার মাকে গুলি করেছে, সে বিষয়ে ইয়াসিন কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
গুলিবিদ্ধ নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার উত্তর দাললা গ্রামের আব্দুল মান্নানের স্ত্রী। বর্তমানে তিনি রাজধানীর দারুস সালামের মসজিদ গলিতে একটি টিনশেড বাসায় ভাড়া থাকতেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ফারুক এই ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, একজন নারী গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে এসেছেন এবং তাকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ পরিদর্শক মো. ফারুক আরও জানান, ওই নারী তার ডান হাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
পুলিশ পরিদর্শক মো. ফারুক আরও জানান যে, এই ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে। বর্তমানে ওই নারীর চিকিৎসা চলছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্তে নিয়োজিত রয়েছে। এই ঘটনার ফলে ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এই ঘটনাটি একটি সাধারণ গৃহবধূর ঘরে বসে টেলিভিশন দেখার সময় হঠাৎ করে জানালা দিয়ে আসা গুলির কথা বলে এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। পুলিশ পরিদর্শক পরিদর্শক মো. ফারুকের দেওয়া তথ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জানা গেছে যে, এই এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ এবং টিনশেড ঘরগুলোর পাতলা পাতলা দেয়াল এবং খোলা জানালাগুলো বাইরের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে না।
এই ঘটনার মাধ্যমে বোঝা যায় যে অস্ত্রপ্রাপ্ত দুর্বৃত্তরা আবাসিক এলাকায় এভাবে আক্রমণ করতে পারে। জেসমিন বেগম বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন এবং তার ছেলে ইয়াসিন זה বিষয়ে পুলিশকে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করছেন। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করে প্রকৃত কারণ এবং ব্যবহৃত অস্ত্রের 종류 এবং গুলির গতিপথ বিশ্লেষণ করে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে পারে।
সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ পুলিশ পরিদর্শক মো. ফারুক পরিদর্শক পুলিশ পরিদর্শক মো. ফারুকের সাথে সমন্বয়ে কাজ করছে।
