সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দুই ছাত্রদল ও জাসাস নেতা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দুই ছাত্রদল ও জাসাস নেতা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দুই ছাত্রদল ও জাসাস নেতা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ — বাংলা ধ্বনি

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ২০১৫ সালে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ দুই জন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি প্রদান করেছেন। মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর এই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন এবং তৎকালীন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ।

বর্তমানে মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন কারাগারে রয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন। মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ভুক্তভোগী টিপু হাওলাদার আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং কবির মোল্লা একই উপজেলার জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই দুই নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে গৌরনদী–গোপালগঞ্জ হাইওয়ের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় ব্রিজের পশ্চিম পাশে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়। ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য প্রদানকারী সেলিনা বেগম জানান, টিপু হাওলাদার তার ভাগ্নি জামাই ছিলেন এবং তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে সেলিনা বেগমের বাসায় টিপু অবস্থান করছিলেন।

সেই রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একদল লোক টিপুকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যায়। সেলিনা বেগম জানান, তিনি এবং তার প্রতিবেশী সামছুন নাহার বেগম টিপুকে গাড়িতে তোলার সময় পর্যন্ত তাদের সঙ্গে ছিলেন। সেই সময় আগত ব্যক্তিরা নিজেদের বরিশাল থেকে আসা ডিবি পুলিশ হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। ঘটনার দুই দিন পর ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনের সংবাদে সেলিনা বেগম টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা নামে দুই ব্যক্তির ক্রসফায়ারে নিহত হওয়ার খবর দেখতে পান।

তিনি তাৎক্ষণিকভাবে টিপুর শ্বশুরকে ফোন করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হন। অপর সাক্ষী সামছুন নাহার বেগম তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন যে, ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে সেলিনা বেগমের চিৎকার শুনে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন এবং টিপুকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখেন। তিনি জানান, টিপুকে নিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা নিজেদের আগৈলঝাড়া থানা থেকে আসা ডিবি পুলিশ বলে দাবি করেছিল।

সামছুন নাহার বেগম আরও জানান, ঘটনার পর তিনি মোহাম্মদপুরসহ বেশ কয়েকটি থানায় টিপুর সন্ধানে খোঁজ নিয়েছিলেন। তিনি স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে শুনেছেন যে, টিপু হাওলাদার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাকে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক মতাদর্শ পরিবর্তনের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও শুনেছেন যে, উজিরপুর থেকে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও তৎকালীন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ তাদের অধস্তন পুলিশ সদস্যদের ব্যবহার করে এই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করেন। ট্রাইব্যুনাল এই মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
আনিসুর রহমান তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: আনিসুর রহমান© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫