ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইংরেজি, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বাংলা এবং ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি শনিবার ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়সূচি অনুযায়ী ফজর নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৪টা ২৫ মিনিটে।
জোহর নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ১২টা ১ মিনিটে। আসর নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে। মাগরিবের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটে এবং ইশা নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টা ৩৩ মিনিটে। একই দিনে সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৪১ মিনিটে।
পরবর্তী দিন অর্থাৎ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রোববার ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৪টা ২৭ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৪১ মিনিটে। বিভাগীয় শহরগুলোর ক্ষেত্রে ঢাকার সময়ের সঙ্গে কিছু সময় যোগ বা বিয়োগ করে নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে। চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেট বিভাগের জন্য ৬ মিনিট সময় বিয়োগ করতে হবে।
অন্যদিকে খুলনা বিভাগের জন্য ৩ মিনিট, রাজশাহী বিভাগের জন্য ৭ মিনিট, রংপুর বিভাগের জন্য ৮ মিনিট এবং বরিশাল বিভাগের জন্য ১ মিনিট সময় যোগ করে নামাজের সময়সূচি সমন্বয় করতে হবে। ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে মোট ১৭ রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করা অপরিহার্য।
এছাড়া ১২ রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা নামাজ রয়েছে যা নিয়মিত আদায় করা হয়। ইশার নামাজের পর সুবহে সাদিকের আগে ৩ রাকাত বেতর নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। ফরজ ও ওয়াজিব নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুমিনের জন্য বাধ্যতামূলক এবং এটি ছেড়ে দেওয়া গুনাহের কাজ। কোনো কারণে নামাজ ছুটে গেলে তা কাজা করে নেওয়া প্রয়োজন।
সুন্নতে মুআক্কাদা ও সুন্নতে যায়েদা নামাজ আদায় করলে সওয়াব পাওয়া যায়। নামাজের রাকাত সংখ্যার বিস্তারিত বিবরণ অনুযায়ী ফজরের ফরজ নামাজ ২ রাকাত এবং ফরজের আগে ২ রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা রয়েছে। জোহরের ফরজ নামাজ ৪ রাকাত, ফরজের আগে ৪ রাকাত ও পরে ২ রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা রয়েছে।
আসরের ফরজ নামাজ ৪ রাকাত এবং ফরজের আগে ৪ রাকাত সুন্নতে যায়েদা রয়েছে। মাগরিবের ফরজ নামাজ ৩ রাকাত এবং ফরজের পর ২ রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা রয়েছে। ইশার ফরজ নামাজ ৪ রাকাত, ফরজের আগে ৪ রাকাত সুন্নতে যায়েদা এবং ফরজের পর ২ রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা রয়েছে।
ইশার ফরজ ও সুন্নতের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত ৩ রাকাত বেতর নামাজ ওয়াজিব হিসেবে গণ্য হয়। ইসলামে ইমানের পর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা মুমিনদের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করা ফরজ করেছেন। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী নামাজ ত্যাগ করাকে কুফুরি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং এটি মুমিন ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্যকারী হিসেবে কাজ করে।
পরকালে হিসাবের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। নামাজের হিসাব যথাযথ হলে ব্যক্তি সফল ও মুক্তিপ্রাপ্ত হবে, অন্যথায় সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে বিভিন্ন হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে।
