জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এবং সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের জানিয়েছেন যে, ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচিটি সরকার পতনের কোনো আন্দোলন নয়। তিনি এই কর্মসূচির উদ্দেশ্যকে সরকারের জন্য একটি 'ওয়েক-আপ কল' বা সতর্কবার্তা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
ডা. তাহেরের মতে, বর্তমানে সংসদের ভেতরে এবং বাইরে যে লংমার্চ বা আন্দোলনের কর্মসূচিগুলো পরিচালিত হচ্ছে, তা সরাসরি সরকার পতনের লক্ষ্য নিয়ে শুরু করা হয়নি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, এই কর্মসূচিগুলো সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার একটি মাধ্যম। সরকারের প্রতি তাদের দাবিগুলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য এই ধরনের কর্মসূচিগুলো নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
এই লংমার্চ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য এবং দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ডা. তাহের বলেন, এই আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের চাহিদা এবং দাবিগুলো সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি জানান যে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের এই লংমার্চ কর্মসূচিটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা তাদের নির্দিষ্ট কিছু দাবি জানাতে চান।
জোটের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা। ডা. তাহের উল্লেখ করেন যে, জুলাই মাসে সংঘটিত গণহত্যার বিচার করার জন্য এই লংমার্চ কর্মসূচির মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি জোটের এই আন্দোলনের সাথে আরও পাঁচটি দাবি মিলিয়ে মোট ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
এই ছয় দফা দাবির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার এই লক্ষ্যেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে এই লংমার্চ কর্মসূচিটি শুরু করা হয়েছে।
ডা. তাহেরের মতে, এই আন্দোলনের পর সরকারের বোধোদয় হবে এবং তারা সমস্যা সমাধানে যৌক্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই কর্মসূচিটি সরকারের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে এবং সরকার তাদের ছয় দফা দাবি মেনে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন যে, জনগণের দাবিগুলো যৌক্তিক এবং এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে দেশের বর্তমান সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব হবে।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে ১১ দলীয় জোট এই লংমার্চিতে অংশ নিয়ে তাদের দাবিগুলো গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন। ডা. তাহের mengatakan যে, এই আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সরকারের প্রতি তাদের প্রত্যাশা এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করছেন। তিনি এই কর্মসূচির পথসভায় উপস্থিত হয়ে তাদের কর্মীদের এবং সাধারণ মানুষকে এই কর্মসূচিটি এই লংমার ഏറ്റവും গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
Таким образом, এই লংমার্চ কর্মসূচিটি সরকার পতনের আন্দোলন হিসেবে না দেখে বরং সরকারের সরকারের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে তাদের জোটের জোটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে ডা. তাহেরের কথাগুলো থেকে বোঝা যায়। তিনি এই মনে করেন যে তাদের এই ঢাকা থেকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চিতে অংশ নিয়ে তাদের জুলাই গণহত্যার বিচার এবং ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা সম্ভব হবে।
