প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের একটি আলোচনা সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে দেশের মানুষের কষ্টের জন্য দলের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই সভায় তিনি বলেন, তবে এসব সমস্যাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার না করে সংকট মোকাবিলায় কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, সরকার গঠন করার পর তারা ভঙ্গুর অর্থনীতি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা এবং যোগাযোগব্যবস্থার মতো বহুবিধ সমস্যা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন। তারেক রহমান বলেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর মধ্যে জ্বালানি সংকট অন্যতম এবং এর ফলে দেশের সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন। সরকার এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করছে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, বিএনপি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার হিসেবে একটি নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, এই কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বিশ্বে আবারও বিভিন্ন ধরনের সংকট তৈরি হলেও যেন দেশের মানুষ জ্বালানি সংকটে না পড়েন, সেই লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বর্তমানে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। এই কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে থাকা সাধারণ মানুষ এবং শিল্প-কলকারখানার মালিকদের প্রতি দলের পক্ষ থেকে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া সমস্যাগুলোর কারণে বর্তমানে দেশ ও দেশের মানুষ কষ্ট ভোগ করছেন।
তবে তিনি জানান, সরকার এই সমস্যাগুলোকে কেবল অজুহাত হিসেবে তুলে ধরতে চায় না। বরং তিনি বলেন, সরকার মানুষের কাছে বাস্তব পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চায় এবং এমন পদক্ষেপ নিতে চায় যাতে ভবিষ্যতে আর কাউকে এই ধরনের সংকটের সম্মুখীন হতে না হয়। তারেক রহমান বলেন, তবে এসব সমস্যাকে অজুহাত না করে সংকট মোকাবিলায় কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
এই সংকটের গভীরতা এবং এর ফলে শিল্প ও সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব নিয়ে তিনি তারেক রহমান বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি জানান, যে সকল শিল্প-কলকারখানার মালিকরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন, তাদের প্রতিও দলের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, তবে এই সমস্যাগুলো উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা যা পূর্ববর্তী সরকারের সময় থেকে চলে আসছে।
তিনি বলেন, তবে এই সমস্যাগুলো সমাধান করে দেশের মানুষকে আরামদায়ক জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তিনি জানান, এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং জ্বালানি খাতের সংস্কার হবে। জ্বালানি খাতের এই সংকটটি বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
