বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও ফেনীতে চট্টগ্রাম অভিমুখের ১১টি দলের লংমার্চের পথসভা শুরু হয়েছে। শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপালে নির্ধারিত স্থানে আয়োজকরা এই পথসভার কার্যক্রম শুরু করেন।
আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে মূল আয়োজন নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উৎসাহ ধরে রাখতে সাংস্কৃতিক কর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের শিল্পীরা মঞ্চে একের পর এক দেশাত্মবোধক এবং ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন।
এই সংগীত পরিবেশনার ফলে পুরো মাঠের পরিবেশ মুখরিত হয়ে ওঠে এবং উপস্থিতদের উদ্দীপনা বজায় থাকে।
লংমার্চের সাংগঠনিক সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, কুমিল্লা থেকে লংমার্চের মূল বহরটি দুপুর আড়াইটায় পুনরায় চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। আয়োজকদের আশা করা হচ্ছে যে, প্রায় ১,২০০টি যানবাহনের এই বিশাল বহরটি বিকেল সাড়ে ৩টার মিনিটে ফেনীতে এসে পৌঁছাবে।
ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান জানিয়েছেন যে, লংমার্চের মূল বহরটি ফেনীতে পৌঁছানোর পর প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে পথসভার যাবতীয় সংক্ষিপ্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে। তিনি আরও জানান যে, এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর কোনো বিলম্ব না করে বহরটি পুনরায় চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে।
এই লংমার্চটি ১১টি দলের সমন্বয়ে গঠিত একটি বড় কর্মসূচি। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপাল এলাকায় এই পথসভার আয়োজন করা হয়েছে যাতে করে লংমার্চের মূল বহরটি যাত্রাপথে বিরতি নিয়ে কর্মসূচি পালন করতে পারে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কর্মসূচির প্রস্তুতিতে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা হয়েছে।
ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার শিল্পীদের অংশগ্রহণে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের এই আয়োজনটি কর্মসূচির পরিবেশকে প্রাণবন্ত রাখতে সাহায্য করেছে। দেশাত্মবোধক ও ইসলামী সংগীতের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখা হয়েছে।
সাংগঠনিক সূত্রে জানা গেছে, ১,২০০টি যানবাহনের এই বিশাল বহরটি কুমিল্লার পর ফেনীতে এবং এরপর চূড়ান্ত গন্তব্য চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। এই বিশাল বহরের ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বয় করা আয়োজকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, বিশেষ করে বৃষ্টির কারণে।
মুফতি আবদুল হান্নান স্পষ্ট করেছেন যে, ফেনীতে অবস্থানকাল হবে সংক্ষিপ্ত। মূল লক্ষ্য হলো দ্রুত চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা। এক ঘণ্টার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বহরটি পুনরায় মহাসড়কে যাত্রা শুরু করবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
