সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সবার: রাশেদ খাঁন

ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সবার: রাশেদ খাঁন
ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সবার: রাশেদ খাঁন — বাংলা ধ্বনি

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, বর্তমান সরকার এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে যেখানে ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত থাকবে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে জন্মাষ্টমী উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাশেদ খাঁন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় রয়েছে, যেখানে ‘ধর্ম যার যার, কিন্তু নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সবার’।

তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা এবং তিনি দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে মূল্যায়ন করেন। অনুষ্ঠানে শ্রীকৃষ্ণের জীবন ও দর্শনের ওপর আলোকপাত করে রাশেদ খাঁন বলেন, হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হলেও তার শিক্ষা আজও সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

শ্রীকৃষ্ণ শিক্ষা দিয়েছেন যে, মানুষের প্রকৃত পরিচয় বংশপরিচয়ে নয়, বরং তার কর্মের মধ্যদিয়েই মর্যাদা ও অবস্থান নির্ধারিত হয়। তিনি সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাই শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। অসাম্প্রদায়িক চেতনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যে ধর্মেরই অনুসারী হই না কেন, সব ধর্মের মূল শিক্ষা হলো শান্তি, শৃঙ্খলা, মানবতা ও সম্প্রীতি।

বাংলাদেশে কোনো নাগরিক যেন ধর্মীয় পরিচয় বা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার না হন— এটাই সবার প্রত্যাশা। অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিৎকে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আর কোনো বিশ্বজিৎ যেন এ ধরনের নৃশংস হামলার শিকার না হন, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

সহিংসতা ও বৈষম্যের সংস্কৃতি যাতে আর ফিরে না আসে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে, যেখানে কোনো সনাতন ধর্মাবলম্বীর ওপর ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হামলা বা নিপীড়নের ঘটনা ঘটবে না। একটি অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপূর্ণ, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই সরকারের অভীষ্ট লক্ষ্য।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে উপাচার্য বলেন, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের আচার অনুষ্ঠান ভিন্ন হলেও শান্তি, মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য অভিন্ন।

শ্রীকৃষ্ণের জীবন ও দর্শন থেকে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা এবং সব ধরনের অনিষ্ট থেকে দূরে থাকার শিক্ষা পাওয়া যায়। তাঁর এই মহান শিক্ষাকে আমাদের ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে ধারণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত, যেখানে প্রত্যেক ধর্মাবলম্বী নিজ নিজ ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারবেন এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারবেন।

একই সঙ্গে ভিন্নমতের মানুষও স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের সুযোগ পাবেন। অন্যায়, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে উঠে একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। উপাচার্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, মানবিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এগিয়ে নিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল। তিনি জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য তুলে ধরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
আনিসুর রহমান তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: আনিসুর রহমান© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫