সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

তিনটি বিল পাসের প্রতিবাদে জাতীয় সংসদ থেকে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের ওয়াকআউট

তিনটি বিল পাসের প্রতিবাদে জাতীয় সংসদ থেকে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের ওয়াকআউট
তিনটি বিল পাসের প্রতিবাদে জাতীয় সংসদ থেকে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের ওয়াকআউট — বাংলা ধ্বনি

রবিবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনটি বিল পাসের প্রতিবাদে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা ওয়াকআউট করেছেন। রাত আটটার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে চলা এই অধিবেশন থেকে তারা বেরিয়ে যান। সংসদ ভবন থেকে বের হওয়ার সময় বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা তাদের মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ জানান।

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমানসহ অন্যান্য বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর সংসদ ভবনের একটি টানেলে বিরোধী দলীয় নেতারা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দিনটিকে সংসদের জন্য একটি কালো দিন হিসেবে অভিহিত করেন।

বিরোধী দলীয় নেতারা অভিযোগ করেন যে, স্পিকার পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। তাদের দাবি, পাস হওয়া বিলগুলো জনস্বার্থ ও মানবাধিকারের পরিপন্থী এবং ধর্মীয় মূল্যবোধকে উপেক্ষা করা হয়েছে। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পিকারের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি জানান, বিরোধী দলীয় নেতা সংসদে কথা বলার সুযোগ চেয়েছিলেন কিন্তু তাকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি।

তিনি অভিযোগ করেন যে, স্পিকার বিরোধী দলীয় নেতার সাথে উপহাসমূলক আচরণ করেছেন। নাহিদ ইসলাম স্পিকারের এই আচরণকে অত্যন্ত হতাশাজনক বলে বর্ণনা করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, সরকার বিরোধী দলের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়েই গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল তাড়াহুড়ো করে সংসদে উত্থাপন ও পাস করেছে।

তার দাবি অনুযায়ী, এই বিলগুলোতে স্বাধীন তদন্তের ন্যূনতম কোনো সুযোগ রাখা হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় মুখপাত্র নাজিবুর রহমান পাস হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর বিলের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন যে, এই বিলটি কুরআন ও সুন্নাহর পরিপন্থী। আইনমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন যে, মন্ত্রী ইসলামী নীতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা না রেখেই সংসদে বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপন করেছেন।

নাজিবুর রহমানের মতে, স্পিকারের প্রধান দায়িত্ব হলো ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, কিন্তু তিনি সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, মানবাধিকার রক্ষা ও গুম প্রতিরোধের আইনগুলোকে শক্তিশালী করার পরিবর্তে সরকার সেগুলোকে দুর্বল করে সংসদে পাস করেছে। এই আইনগুলোকে তিনি কালো আইন হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন যে, এই আইনগুলো মানুষকে মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত করবে এবং ভবিষ্যতে গুম ও হত্যাকাণ্ডের নতুন সুযোগ তৈরি করবে। নাজিবুর রহমান আরও অভিযোগ করেন যে, গত ১৭ বছর ধরে সীমাহীন নিপীড়ন চালানোর পর সরকার আবারও পুরনো কায়দায় দেশ পরিচালনা করছে। বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের এই ওয়াকআউট এবং পরবর্তী প্রতিবাদ কর্মসূচি সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তারা মনে করেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিরোধী দলের মতামত উপেক্ষা করে বিল পাস করা সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়। সংসদীয় কার্যপ্রণালীতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে তারা তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। এই ঘটনার পর সংসদ ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে সরকারি পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এই অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সংসদীয় অধিবেশন চলাকালীন এই ধরনের প্রতিবাদ ও ওয়াকআউট অতীতেও দেখা গেছে, তবে এবার মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ জানানোর বিষয়টি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। বিরোধী দলীয় নেতারা জানিয়েছেন যে, তারা জনগণের অধিকার রক্ষায় তাদের এই প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবেন।

সংসদীয় কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপগুলোতেও তারা তাদের দাবিগুলো তুলে ধরার কথা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
ফারজানা আক্তার তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: ফারজানা আক্তার© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫