ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোট ৮৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নিয়মিত অপরাধ দমন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে তেজগাঁও থানা এলাকা থেকে ৭ জন, শেরেবাংলা নগর থানা এলাকা থেকে ৭ জন, মোহাম্মদপুর থানা এলাকা থেকে ২৬ জন, আদাবর থানা এলাকা থেকে ২৩ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকা থেকে ৭ জন এবং হাতিরঝিল থানা এলাকা থেকে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মামুন খান, ইমতিয়াজ আহম্মেদ আসিফ, সজীব হোসেন, সাব্বির, বাবু হোসেন, রবিউল, হাফিজুর রহমান, সাদ্দাম হোসেন, রহিম, বিপ্লব পাল, ফয়সাল, খোকন, আলী, ময়ুখ আমিন, রাহিম সরকার, সাজেদুল ইসলাম শাওন, সরোয়ার আহমেদ মুহিন, মাঈনুদ্দিন, তারেক, শামীনুর রহমান ওরেফ শামীম আল নকশাবন্দী, জাবেদ, আশরাফ, তারেক, আব্দুল সাত্তার, সুলতান, শাহজাহান, মাসুদ, মেহেদী হাসান হৃদয়, আশরাফুল ইসলাম, মৃদুল হাসান, আশিক, সজিব হোসেন শান্ত, হোসাইন, নুর মোহাম্মদ বাবলু, আশিক, রাজা, জনি মাঝি, মিম্নো সরকার, মিরাজ, মামুন, মোর্শেদ আলম, অমিত হাসান, রেজাউল ওরফে সজিব, রাব্বী, বদিউজ্জামান ওরফে জামাল, জিয়ারুল, রাজা, শাহজালাল ওরফে আকাশ, ইব্রাহিম আকন্দ হালিম, হাবিব, সজীব খাঁন, সজিব, হান্নান, দেলোয়ার, হোসাইন, ওয়াসিম, ইমন, মনির হোসেন, আরিফ হোসেন, হৃদয়, লিটন, সাইফুল ইসলাম, কাউছার, ইয়াসিন আরাফাত, মনির হোসেন, রিফাত রহমান, শিফাত খান, রায়হান, ইউনুস খান, ইমরান হোসেন সৈকত, লাবু ইসলাম সাগর, মারুফ আহম্মেদ, কামরুল ইসলাম, নূর আলম, আলতাফ হোসেন, সাকিব, মাসুদ, বাদল, ইসরাফিল, বিল্লাল, আল আমিন, রবিউল এবং আরিফ হাওলাদার রয়েছেন।
অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের বয়স এবং পরিচয় যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিতভাবে এই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হয়। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্ত কার্যক্রম এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। পুলিশি অভিযানের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক অপরাধের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই কার্যক্রমকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। এই অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যরা তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি চালিয়ে অপরাধীদের শনাক্ত করতে সক্ষম হন।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই তৎপরতা স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানোর পর তাদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
