ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ৭৫টি ওয়ার্ডে শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে একযোগে 'ক্লিনিং ডে' বা পরিচ্ছন্নতা দিবস কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 'নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ি' প্রতিপাদ্যের ওপর ভিত্তি করে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নাগরিকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করার মূল লক্ষ্য নিয়ে এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা দিবসকে আরও ফলপ্রসূ এবং কার্যকর করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এলাকাগুলোতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবারকে 'ক্লিনিং ডে' হিসেবে পালন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
এই কর্মসূচির আওতায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় বাজার, শপিং কমপ্লেক্স এবং সাধারণ নাগরিকদের তাদের নিজ নিজ বাসাবাড়ির আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার জন্য নাগরিকদের আহ্বান জানানো হয়েছে।
দিনব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক শোভাযাত্রা বের করা হয়েছে এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সামাজিক অংশীদারিত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এই কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং সর্বস্তরের নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শহরের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখা এবং জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি কurangi করার চেষ্টা করা হয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই কর্মসূচিটি শহরের ৭৫টি ওয়ার্ডে বিস্তৃত ছিল। বর্জ্য অপসারণ এবং পরিবেশগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে নাগরিক জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং একটি পরিচ্ছন্ন নগরীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়েছে।
শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এই কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে নাগরিকদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে নাগরিক ও প্রশাসনের কথা বলা হয়েছে।
