সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী — বাংলা ধ্বনি

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন। শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় এই লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ছয় দফা দাবি আদায় করা। উদ্বোধনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন যে, তাদের এই রাজনৈতিক কর্মসূচি ওষুধের মতো কাজ করছে এবং বিভিন্ন স্থানে এর প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, তাদের এই আন্দোলন দেশের ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে পরিচালিত হচ্ছে। ছয় দফা দাবির পাশাপাশি তিনি সপ্তম দফা হিসেবে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা ঘোষণা করেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব তারা বরদাস্ত করবেন না। তিনি অভিযোগ করেন যে, সাধারণ মানুষ চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এবং দুর্নীতিবাজদের কারণে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত হচ্ছে।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে জনগণ কাউকে ছাড় দেবে না। ১১ দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চ কর্মসূচির উদ্বোধনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ছাড়াও জোটের অন্যান্য নেতারা বক্তব্য রাখেন। লংমার্চটি ঢাকা থেকে শুরু হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত যাবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা তাদের দাবিগুলো তুলে ধরছেন এবং সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের লংমার্চ কর্মসূচি বড় ধরনের জনসমাগম তৈরি করে এবং সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে আলোচনার জন্ম দেয়। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের এই কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তারা মনে করছেন, এই লংমার্চের মাধ্যমে তাদের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে।

সমাবেশে উপস্থিত নেতারাও একই সুরে কথা বলেন এবং দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তারা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের সাধারণ মানুষ অনেক কষ্টে আছে এবং তাদের অধিকার রক্ষায় এই আন্দোলন অত্যন্ত জরুরি। লংমার্চের এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বিভিন্ন স্থানে পথসভা ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই কর্মসূচির ফলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর আমির তার বক্তব্যে বারবার উল্লেখ করেছেন যে, তাদের এই আন্দোলন কোনো নির্দিষ্ট দলের স্বার্থে নয়, বরং দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। তিনি বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায় এবং তারা দুর্নীতিমুক্ত একটি সমাজ দেখতে চায়।

এই লংমার্চের মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষের সেই আকাঙ্ক্ষাকেই তুলে ধরতে চাচ্ছেন। সমাবেশের পর লংমার্চটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। পথে বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীরা তাদের স্বাগত জানান। এই লংমার্চ কর্মসূচি কতদিন চলবে বা এর পরবর্তী ধাপ কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে।

তবে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এই লংমার্চের মাধ্যমে তারা তাদের শক্তি প্রদর্শন করতে চাচ্ছেন এবং সরকারের ওপর চাপ বজায় রাখতে চাচ্ছেন। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই লংমার্চ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সাধারণ মানুষের মধ্যে এই কর্মসূচি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা এটিকে একটি সফল কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, এই লংমার্চের মাধ্যমে তাদের দাবিগুলো দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে যাবে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
তাসনিম আরা তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: তাসনিম আরা© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫