বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে শনিবার রাতে তার আদাবরের বাসভবনে যান দলের আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফেরার পর এই সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাতে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তার সহকর্মীর শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং দীর্ঘক্ষণ সেখানে অবস্থান করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সেখানে উপস্থিত হয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর চিকিৎসার অগ্রগতি এবং তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি তার সহকর্মীর দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু গত কিছুদিন ধরে জ্বর এবং নিউমোনিয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। এই শারীরিক সমস্যাগুলোর কারণে তাকে শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
চিকিৎসকদের পরামর্শে এবং শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় শনিবার তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দিয়ে আদাবরের বাসায় নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তিনি তার বাসভবনে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানেই পরবর্তী চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় পরিচর্যা গ্রহণ করছেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় যখন টুকুর বাসায় যান, তখন তার সাথে আরও কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম এমপি এবং সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল কায়েস উপস্থিত ছিলেন।
এই সাক্ষাৎটি মূলত একজন সহকর্মীর অসুস্থতার সময়ে তার সহকর্মীর এবং দলের অন্যান্য নেতাদের সমর্থন এবং সংহতি প্রকাশ করার জন্য অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জ্বালানি মন্ত্রীর অসুস্থতা এবং তার অসুস্থতার অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রক্রিয়াটি তার পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে।
সামগ্রিক পরিস্থিতি অনুযায়ী, চিকিৎসক এবং পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন যে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তার ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে প্রাপ্ত চিকিৎসা হাসপাতালে প্রাপ্ত চিকিৎসার পর তিনি এখন বাসায় ফিরেছেন। বর্তমানে তার বাসায় চিকিৎসায় তত্ত্বাবধানেই তার সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করা হয়েছে।
