স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে খসড়া রোগের লক্ষণযুক্ত তিনটি শিশু এবং নিশ্চিতভাবে খসড়া রোগে আক্রান্ত একটি শিশু মারা গেছে। এই মৃত্যুর সাথে সাথে ১৫ই মার্চ থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে খসড়া রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং খসড়া রোগের লক্ষণযুক্ত হয়ে মোট ৯৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় খসড়া রোগের সন্দেহভাজন ৮৪৩টি নতুন রোগী পাওয়া গেছে। ১৫ই মার্চ থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ১০৫ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে খসড়া রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৭৪ জনে পৌঁছেছে। এর ফলে ১৫ই মার্চ থেকে বর্তমান তারিখ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে খসড়া রোগে আক্রান্ত রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৬৪১ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে যে, ১৫ই মার্চ থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে খসড়া রোগের সন্দেহভাজন মোট ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ২১৪ জন রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মোট ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৯২১ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।
মৃত্যুর পরিসংখ্যানের বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় খসড়া রোগের লক্ষণযুক্ত হয়ে তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫ই মার্চ থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহভাজন খসড়া রোগে আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৯১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে খসড়া রোগে আক্রান্ত হয়ে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ই মার্চ থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে খসড়া রোগে আক্রান্ত হয়ে মোট ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এই প্রতিবেদনটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস রিলিজের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে খসড়া রোগের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করে। খসড়া রোগের লক্ষণ এবং নিশ্চিতভাবে খসড়া রোগটি কীভাবে চিহ্নিত করা হয়, তার মাধ্যমে রোগী এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহভাজন রোগীদের ভর্তি এবং সুস্থ হয়ে যাওয়ার হার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, একটি বড় অংশ রোগী সুস্থ হয়ে ফিরেছেন। তবে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং নতুন নতুন রোগী আক্রান্ত হওয়ার কারণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে এই তথ্যগুলো নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই সঙ্গে সঙ্গে নতুন রোগী এবং মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াচ্ছে। ১৫ই মার্চ থেকে প্রায় ছয় মাসের সময়কালে এই রোগের লক্ষণযুক্ত হয়ে এবং নিশ্চিত শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯১ জনে পৌঁছেছে যা একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
