জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, অতীতে দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে তৎকালীন সরকার কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। তিনি উল্লেখ করেন যে, সেই সময়ে বিচারহীনতার একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, যা দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
শুক্রবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাহিদ ইসলাম দেশের বর্তমান বিচারব্যবস্থা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে তার মতামত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা ছাড়া দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, দেশের বিচারব্যবস্থা এখনো দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে বিচারব্যবস্থাকে আরও জোরদার ও শক্তিশালী করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল রয়েছে। তবে এই স্থিতিশীলতাকে একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে। তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমেই দেশের দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব।
বহু ধর্ম ও বহু সংস্কৃতির যে ধারা বাংলাদেশে চলমান রয়েছে, সেই ঐতিহ্যকে সম্মিলিতভাবে ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বিচারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা সম্ভব হবে। তার মতে, বিচারব্যবস্থা শক্তিশালী হলে দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষ ন্যায়বিচার পাওয়ার একটি নিশ্চিত জায়গা খুঁজে পাবে।
তিনি বলেন, সরকারে থাকা বা বিরোধী দলে থাকা—যেকোনো অবস্থানেই রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান দায়িত্ব হলো দেশে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা। সব রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের এই স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও মজবুত করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, অতীতে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাগুলো বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি তৈরি করেছিল, তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
বিচারব্যবস্থার সংস্কার ও শক্তিশালীকরণই এই সংকট সমাধানের মূল পথ। তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন বা বৈষম্য যেন আর না ঘটে, সেদিকে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। তিনি বলেন, আমরা মনে করি, বর্তমান সময়ে দেশের পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় আছে।
তবে এটাকে আমাদের একটি শক্তিশালী ভিত্তি দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, সব রাজনৈতিক দলেরই দায়িত্ব এ দেশে যেন শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকে। আমরা মনে করি, বিচারব্যবস্থা শক্তিশালী করার মাধ্যমে আমাদের দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষের বিচার পাওয়ার একটি জায়গা থাকবে। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছাড়া গণতন্ত্র নিশ্চিত হবে না।
তিনি আরও বলেন, অতীতে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হয়েছিল, সরকার ব্যবস্থা নেয়নি। তখন বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল। দেশের বিচারব্যবস্থা এখনো দুর্বল। তাই বিচারব্যবস্থা জোরদার ও শক্তিশালী করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি আমরা সরকারেই থাকি বা বিরোধীদলেই থাকি, সব রাজনৈতিক দলেরই দায়িত্ব এ দেশে যেন শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকে।
আমরা মনে করি এখন দেশের পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় আছে। কিন্তু এটাকে আমাদের একটা শক্তিশালী ভিত্তি দিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি স্থিতিশীল আছে। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। বহু ধর্ম বহু সংস্কৃতির যে ধারা চলমান সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বিচারব্যবস্থা শক্তিশালী হবে।
এর মাধ্যমে আমাদের দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষের বিচার পাওয়ার একটা জায়গা থাকবে।
