সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
International মিনিট পড়া
|১০০%|

মাদক উৎপাদন ও পাচারের দায়ে মিশরের টিভি উপস্থাপিকাসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

মাদক উৎপাদন ও পাচারের দায়ে মিশরের টিভি উপস্থাপিকাসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড
মাদক উৎপাদন ও পাচারের দায়ে মিশরের টিভি উপস্থাপিকাসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড — বাংলা ধ্বনি

মিশরের একটি আদালত জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপিকা সারাহ খলিফাসহ মোট ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। মাদক উৎপাদন, বিভিন্ন দেশে তা পাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গঠনের দায়ে তাদের এই সাজা প্রদান করা হয়েছে। কায়রোর আদালত এই রায় ঘোষণার আগে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী দেশটির গ্র্যান্ড মুফতির মতামত গ্রহণ করেছেন।

মিশরের প্রচলিত আইন অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পূর্বে এই ধর্মীয় মতামত নেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার আইনি সুযোগ পাবেন। ৩৯ বছর বয়সী সারাহ খলিফা মিশরের একটি টেলিভিশনে অপরাধ ও নিরাপত্তা বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘মিশন ইমপসিবল’ উপস্থাপনার মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি পেশাগত জীবনে একজন টেলিভিশন উপস্থাপক হওয়ার পাশাপাশি একটি কসমেটিক সার্জারি ক্লিনিক এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবেও পরিচিত। আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, সারাহ খলিফা ও তার সহযোগীরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গড়ে তুলেছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশ থেকে সিনথেটিক মাদক তৈরির কাঁচামাল আমদানি এবং তা প্রক্রিয়াজাত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযানে ৭৫০ কেজির বেশি মাদক ও মাদক তৈরির কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। অপরাধীরা মাদক তৈরির জন্য দুটি অ্যাপার্টমেন্টকে ল্যাবরেটরি হিসেবে ব্যবহার করতেন। এছাড়া আসামিদের বিরুদ্ধে লাইসেন্সবিহীন আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে। মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তারা অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।

মাদক পাচার ও অবৈধ অস্ত্র রাখার এই অপরাধের পাশাপাশি সারাহ খলিফার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা চলমান ছিল। সেই পৃথক মামলায় এক তরুণকে অপহরণ ও মারধরের অভিযোগে তাকেসহ কয়েকজনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মিশরের আইন অনুযায়ী, মাদক পাচার, পূর্বপরিকল্পিত হত্যা, সন্ত্রাসবাদ এবং ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

দেশটির মানবাধিকার বিষয়ক একটি সংস্থার তথ্যমতে, ২০২৫ সালে মিশরের বিভিন্ন আদালতে ৫৪১টি মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান রায়ের মাধ্যমে আদালত মাদক উৎপাদন ও পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করল। সারাহ খলিফার মতো একজন পরিচিত মুখ এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকায় বিষয়টি জনমনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আদালত কর্তৃক জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র মামলার গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ল্যাবরেটরি হিসেবে ব্যবহৃত অ্যাপার্টমেন্টগুলো শনাক্ত করা হয়। এরপরই সারাহ খলিফা ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার নথিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামিরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে মাদক তৈরির উপকরণ সংগ্রহ করতেন এবং তা আন্তর্জাতিক বাজারে পাচারের চেষ্টা করতেন। আদালত সমস্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জব্দকৃত আলামত পর্যালোচনা করে এই রায় প্রদান করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ জনের মধ্যে সারাহ খলিফা ছাড়াও আরও ১১ জন রয়েছেন, যারা এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

মামলার পরবর্তী আইনি ধাপ হিসেবে আসামিপক্ষ আপিল করার প্রস্তুতি নিতে পারে। মিশরের বিচারিক ব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য আপিলের সুযোগ উন্মুক্ত থাকে। এই রায়ের ফলে মিশরে মাদকবিরোধী কার্যক্রমের কঠোরতা আরও স্পষ্ট হলো। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সারাহ খলিফার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে এই সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন।

পুরো বিষয়টি এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
শহিদুল ইসলাম তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: শহিদুল ইসলাম© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫