সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
International মিনিট পড়া
|১০০%|

ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ১০ শিক্ষার্থীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ১০ শিক্ষার্থীর যৌন হয়রানির অভিযোগ
ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ১০ শিক্ষার্থীর যৌন হয়রানির অভিযোগ — বাংলা ধ্বনি

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) একজন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি বা আইসিসি এই অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার জন্য তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রায় এক মাস আগে এই অভিযোগগুলো প্রথম জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত অধ্যাপক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে তার ব্যক্তিগত বাসভবনে আমন্ত্রণ জানাতেন। সেই বাসভবনে থাকাকালীন ওই অধ্যাপক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনুপযুক্ত যৌন আচরণ করতেন এবং তাদের কাছে বিভিন্ন সময়ে অশোভন প্রস্তাব দিতেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু ব্যক্তিগত বাসভবনেই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালীন সময়েও ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।

প্রথম অভিযোগটি যখন আইসিসির কাছে জমা পড়ে, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের পাশে এসে দাঁড়ান। তারা অধ্যাপকের এই ধরনের কথিত অনুপযুক্ত আচরণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে সেই জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজনও একই ধরনের অভিযোগের কথা সামনে নিয়ে আসেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখছে।

তবে এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা উপাচার্যের কার্যালয় থেকে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠনও এখন পর্যন্ত এই ঘটনার বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় এই অভিযোগগুলোকে কোনোভাবেই প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয় না। তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী এবং অভিযুক্ত অধ্যাপকের বক্তব্য শুনবে। এরপর কমিটি তাদের প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং পরিবেশ বজায় রাখা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই ধরনের অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তদন্ত কমিটির কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

বর্তমানে পুরো বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে আছেন সবাই। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা নিরপেক্ষভাবে প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।

কোনো শিক্ষার্থী যেন হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা অনুযায়ী, যৌন হয়রানির অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। তদন্তের স্বার্থে গোপনীয়তা বজায় রাখা হচ্ছে। অভিযুক্ত অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে এক ধরনের অস্বস্তি বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ হবে এবং সত্য উদঘাটিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও তারা তদন্ত কমিটিকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

তদন্তের ফলাফলই নির্ধারণ করবে অভিযুক্ত অধ্যাপকের ভবিষ্যৎ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী পদক্ষেপ।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
নুসরাত জাহান তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: নুসরাত জাহান© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫