সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
International মিনিট পড়া
|১০০%|

ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা — বাংলা ধ্বনি

যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট নামক একটি কার্যক্রম শুরু করেছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে বেশ কিছু চীনা কোম্পানি এবং ব্যবসায়িক নাগরিকদের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় বেইজিং কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং মার্কিন এই পদক্ষেপকে একতরফা ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়াং লিং এক বিবৃতিতে জানান যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনের কোনো ভিত্তি নেই এবং এর পেছনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কোনো অনুমোদনও নেই। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে অবিলম্বে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। চীনের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই একতরফা পদক্ষেপ কেবল চীন ও ইরানের মধ্যকার স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বরং এটি বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও স্পষ্ট করে বলেছেন যে, বেইজিং তার দেশের নাগরিক এবং কোম্পানিগুলোর বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। এদিকে শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন মার্কিন-চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে অতীতে যে গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতাগুলো হয়েছিল, তা যৌথভাবে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা উভয় পক্ষের জন্যই জরুরি। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার জেমিসন গ্রিয়ার মার্কিন-চীন সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। বিগত কয়েক মাস ধরেই ইরান-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র ধারাবাহিকভাবে চীনা কোম্পানি ও ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে।

মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগের তালিকায় রয়েছে ইরানের অস্ত্রব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট ছবি সরবরাহের মতো বিষয়। এছাড়া চীনের বাজারে ইরানি তেল বিক্রি ও পরিবহনে মধ্যস্থতা করার অভিযোগও আনা হয়েছে চীনা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে। ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলার এই মার্কিন কৌশল আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে যে, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

চীন মনে করে, কোনো দেশের ওপর একতরফা নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি অগ্রহণযোগ্য চর্চা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের ফলে চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্কে টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বেইজিং এখন পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট যে, তারা দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার পক্ষে। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্টের মাধ্যমে ইরানকে একঘরে করার নীতিতে অটল রয়েছে। এই নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করাকে একটি বড় কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। চীন তার অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছে যে, তারা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং অন্য কোনো দেশের একতরফা সিদ্ধান্ত মেনে নিতে বাধ্য নয়। বেইজিংয়ের এই কঠোর বার্তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতি এবং চীন-মার্কিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
মো. কামরুজ্জামান তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: মো. কামরুজ্জামান© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫