সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
International মিনিট পড়া
|১০০%|

গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে মার্কিন সহায়তা চেয়েছেন নেতানিয়াহু

গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে মার্কিন সহায়তা চেয়েছেন নেতানিয়াহু
গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে মার্কিন সহায়তা চেয়েছেন নেতানিয়াহু — বাংলা ধ্বনি

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজা উপত্যকা থেকে ফিলিস্তিনিদের জাতিগতভাবে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহযোগিতা চেয়েছেন। এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো গাজা থেকে ২০ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে সরিয়ে দেওয়া। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে জানান, গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়া ছাড়া এই অঞ্চলের সমস্যার কোনো প্রকৃত সমাধান নেই।

তিনি আরও দাবি করেন, ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে বের করে দেওয়ার জন্য ইসরায়েল সমুদ্রপথ, আকাশপথসহ সম্ভাব্য সব উপায়ে প্রস্তুত রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ওয়াশিংটনের সমর্থনকে অপরিহার্য বলে মনে করছেন ইসরায়েলি নীতিনির্ধারকরা। ইসরায়েল কাটজের ভাষ্যমতে, ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের গ্রহণ করতে আগ্রহী দেশগুলোর ওপর মার্কিন প্রভাব কাজ করবে। তিনি দাবি করেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবটি সরাসরি বাতিল করেননি, বরং ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের গ্রহণে আগ্রহী দেশ খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষায় বিষয়টি বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের শুরুতে গাজার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ এবং সেখানকার জনগণকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন পরিকল্পনার কথা প্রথম জানিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই সময় মিশরসহ অন্যান্য আরব দেশ এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করে এবং একে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শামিল বলে সতর্ক করে। আরব দেশগুলোর কঠোর অবস্থানের কারণে তখন বিষয়টি আলোচনার বাইরে চলে যায়।

পরবর্তীতে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে। এই চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কাউকে গাজা ছাড়তে বাধ্য করা যাবে না এবং যারা স্বেচ্ছায় যেতে ইচ্ছুক, কেবল তারাই স্বাধীনভাবে গাজা ত্যাগ করতে পারবেন। এদিকে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে তিন ফিলিস্তিনি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত পাঁচ দিনে ইসরায়েলি হামলায় মোট ২৪ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত ও সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ৭৩ হাজার ৩৮৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ২৬৬ জন।

ইসরায়েলি মন্ত্রীদের সাম্প্রতিক বিবৃতিগুলোতে বর্ণবাদী শাসনব্যবস্থার অধীনে দখলকৃত ভূখণ্ড থেকে অ-ইহুদি জনগোষ্ঠীকে উচ্ছেদের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উঠে আসছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে সরিয়ে দেওয়ার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বলবৎ থাকলেও ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়মিত হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। গাজার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং তাদের বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদের ঝুঁকি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। তবে মার্কিন প্রশাসন বা ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলি সরকারের এই উচ্চাভিলাষী এবং বিতর্কিত পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় বাধা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে আরব বিশ্বের অনড় অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক আইন। গাজার বর্তমান মানবিক বিপর্যয় এবং ক্রমবর্ধমান প্রাণহানির সংখ্যা এই অঞ্চলের পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, তারা তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নিতে চায়, কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি হিসেবেই দেখছে।

আগামী দিনগুলোতে এই পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো নতুন সমঝোতা হয় কি না, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল ও শঙ্কা বিরাজ করছে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
মিজানুর রহমান তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: মিজানুর রহমান© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫