সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
International মিনিট পড়া
|১০০%|

কোনো কিছুর জন্য দেরি করার দিন পালন করা হয়

কোনো কিছুর জন্য দেরি করার দিন পালন করা হয়
কোনো কিছুর জন্য দেরি করার দিন পালন করা হয় — বাংলা ধ্বনি

যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রোক্রাস্টিনেটরস্ ক্লাব বা কাজ ফেলে রাখার প্রবণতাসম্পন্নদের সংগঠনের উদ্যোগের মাধ্যমে 'বি লেট ফর সামথিং ডে' বা 'কোনো কিছুর জন্য দেরি করার দিন' পালন করা হয়। এই দিনটির মূল উদ্দেশ্য হলো সারাক্ষণ সময়ের পেছনে ছুটতে ছুটতে মানুষ যে ছোট ছোট আনন্দগুলো হারিয়ে ফেলে, সেগুলোর জন্য কিছুটা জায়গা করে নেওয়া।

দিনটি পালন করার জন্য পুরো সময়সূচি বদলে ফেলার প্রয়োজন নেই, বরং কাজের তালিকায় কিছুটা ফাঁকা সময় রাখা যেতে পারে। এক কাজ শেষ করেই আরেক কাজে ছুটে যাওয়ার বদলে মাঝখানে কয়েক মিনিট বিরতি নেওয়া এবং এক কাপ চা নিয়ে নিরিবিলি বসে থাকা, পছন্দের বই পড়া, হাঁটতে বের হওয়া কিংবা প্রিয় মানুষের সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প করার মতো সাধারণ কাজগুলো মনকে স্বস্তি দিতে পারে।

এছাড়া ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ রেখে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোও এই দিনের মূল বার্তা।

তবে এই দিবসটির অর্থ এই নয় যে সব কাজে ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করা হবে। অফিসের মিটিং, পরীক্ষা, চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, জরুরি বৈঠক কিংবা এমন কোনো কাজে সময় মেনে চলা জরুরি, যেখানে বিলম্বে অন্য কেউ সমস্যায় পড়তে পারেন। অর্থাৎ, কোথায় সময়নিষ্ঠ থাকা প্রয়োজন আর কোথায় নিজের জন্য কয়েক মিনিট বের করা যায়, এই পার্থক্যটি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।

নিজের স্বাধীনতার সঙ্গে অন্যের সময়ের প্রতিও সম্মান দেখানো প্রয়োজন বলে এই দিনটির বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিদিনের জীবনে মানুষ ঘুম থেকে ওঠা, অফিসে যাওয়া, কোথাও পৌঁছানো কিংবা নির্দিষ্ট সময়ে কোনো কাজ শেষ করার মতো বিষয়গুলোর সাথে ঘড়ির কাঁটার হিসাব মিলিয়ে চলে। কয়েক মিনিট এদিক-সেদিক হলেই অনেকের মধ্যে অস্থিরতা, তাড়াহুড়া কিংবা অপরাধবোধ তৈরি হয়। এই দিনটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয় যে জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত কঠোর হিসাব মেনেই কাটাতে হবে এমন কোনো কথা নেই।

যারা প্রতিটি কাজ মিনিট ধরে পরিকল্পনা করেন, তাদের জন্য এই দিনটি ব্যস্ততার বাইরে একটু শ্বাস নেওয়ার উপলক্ষ হয়ে উঠতে পারে। কোথাও যাওয়ার পথে সুন্দর কোনো দৃশ্য দেখে কয়েক মুহূর্ত দাঁড়িয়ে যাওয়া, পছন্দের দোকানে একটু ঘুরে দেখা কিংবা পরিচিত কারও সঙ্গে গল্প করতে গিয়ে পরের বাসটি ছেড়ে দেওয়া—এমন ছোটখাটো ঘটনাকে সব সময় সময় নষ্ট হিসেবে দেখার প্রয়োজন প্রয়োজন নেই।

জীবনের সব ঘটনা নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটবে এমন নয়। কখনো সামান্য দেরির কারণেই নতুন কারও সঙ্গে পরিচয় হতে পারে, অথবা অপ্রত্যাশিত কোনো সুযোগ আসতে পারে কিংবা এমন কোনো মুহূর্ত তৈরি তৈরি হতে পারে যা পরিকল্পনা করে পাওয়া সম্ভব নয়।

নিজের যত্ন নেওয়ার জন্যও এই দিনটিকে ব্যবহার করা যেতে পারে। আরামদায়ক ম্যাসাজ, রিল্যাক্সেশন ট্রিটমেন্ট কিংবা নিজের পছন্দের কোনো আরামদায়ক কাজে সময় দেওয়া যেতে পারে। তবে এর উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট ট্রিটমেন্ট নেওয়া নয়, বরং ব্যস্ততার ভেতর নিজের জন্য কিছুটা নিরিবিলি সময় বের করা।

পরিশেষে, 'কোনো কিছুর জন্য দেরি করার দিন' আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে জীবন শুধু সময়মতো কাজ শেষ করে পরবর্তী কাজের দিকে ছুটে যাওয়ার নাম নয়। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো সময়মতো শেষ করে অপ্রয়োজনীয় তাড়াহুড়া কমিয়ে নিজের গতিতে বাঁচার সুযোগ রাখা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
তাসনিম আরা তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: তাসনিম আরা© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫