সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
Business মিনিট পড়া
|১০০%|

রাজশাহীর বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে

রাজশাহীর বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে
রাজশাহীর বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে — বাংলা ধ্বনি

রাজশাহীর বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় অধিকাংশ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে, তবে ডিম ও মুরগির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নগরীর সাহেব বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন বাজারে এই পরিস্থিতি দেখা গেছে।

বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, শসা ৪০ টাকা, করলা ৩০ টাকা, এবং আলু ২০ থেকে ২৫ টাকার কেজি বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, এবং ঢেঁড়স ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, ফুলকপি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, এবং ঝিঙা ও চিচিঙ্গা উভয়ই ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বরবটি ও কচুর লতি ৪০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ২০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যান্য পণ্যের মধ্যে কাঁচাকলা প্রতি হালি ২৫ টাকা, ওল ৩০ টাকা, লাউ এবং চালকুমড়া প্রতি পিস ৩০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। গাজর ১৪০ টাকা এবং টমেটো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় স্থিতিশীল। আদা ১৮০ টাকা এবং নাটোরের রসুন ৮০ টাকা, আর দেশি রসুন ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব পণ্যের দামেও বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি।

তবে গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে। দেশি মুরগির ডিম প্রতি হালি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, হাঁসের ডিম ৭০ টাকা, ফার্মের লাল ডিম ৪৮ টাকা এবং সাদা ডিম ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মুরগির মধ্যে ব্রয়লার ১৮০ টাকা, সোনালি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, এবং দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৪০ টাকা, ফাউমি ৩৩০ টাকা এবং হাঁস ২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, রাজশাহীর বাজারে পর্যাপ্ত সবজির সরবরাহ থাকায় দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে তারা জানান যে, গত কয়েকদিন ধরে রাজশাহীতে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সবজির দাম বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দাম স্থিতিশীল থাকায় বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতিও ভালো বলে জানান বিক্রেতারা।

মাস্টারপাড়া বাজারে সবজি কিনতে আসা মতিয়ার রহমান জানান, সবকিছুর দাম গত সপ্তাহের মতোই আছে, তবে বেগুনের দাম বেড়েছে। তিনি আরও জানান যে, ডিমের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় হালিতে ৪ টাকা বেড়েছে এবং মুরগির দামও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাজার করতে আসা ফাতেমা বেগম বলেন, সবজির দাম এখন অনেক কম, তবে অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। তিনি মনে করেন, পরে অন্য জিনিসপত্রের দাম কমলে সবজির দাম বেড়ে যাবে।

সবজি বিক্রেতা আলী আকবর জানান, সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন পর্যাপ্ত সবজি আসায় দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, বাজারে বেগুনের দাম দামে বৃদ্ধি হয়েছে।

বিক্রেতা মুস্তাফিজুর রহমান জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দামে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই এবং প্রায় সব ধরনের সবজির দাম আরও কমেছে। তিনি বলেন, কাঁচামরিচের দামও এখন অনেক কমে গেছে। বাজার স্থিতিশীল থাকলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য ভালো হয় বলে তিনি জানান।

মাছের বাজারেও গত সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। রুই ২৭০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, এবং তেলাপিয়া ১৭০ থেকে ২১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, এবং চাষের শিং ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, বোয়াল ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা, কোরাল ৭৫০ টাকা, এবং দেশি কৈ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি টাকা হচ্ছে।

রাজশাহী স্টেশন বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী হৃদয় আহমেদ জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে পোল্ট্রি মুরগি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তবে এই সপ্তাহে ১৮০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি জানান, বৃষ্টি থাকলে দাম আরও বাড়বে।

ডিম ব্যবসায়ী হাফিজ উদ্দিন জানান, ডিমের দাম হালিতে ৪ থেকে ৬ টাকা এবং ডজনে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তিনি বলেন, সাদা ডিমের দাম আগে ৪০ টাকা হালি ছিল, যা এখন ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা এবং লাল ডিমের দাম ৪৮ থেকে ৫০ টাকা হালি হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম আরও বেশি বলে তিনি জানান।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
শহিদুল ইসলাম তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: শহিদুল ইসলাম© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫